বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হুইলচেয়ার পেয়ে নতুন জীবন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে রূপগঞ্জ: খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা খুঁজছেন সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষ ২০২৫-এর শেষে দাঁড়িয়ে ২০২৬: আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই নারায়ণগঞ্জে মনোনয়ন জমা শেষ: পাঁচ আসনে ৫৭ প্রার্থী রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন পেছাল, নতুন তারিখ ৩ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার দাফন উপলক্ষে রাজধানীতে কঠোর ট্রাফিক ব্যবস্থা, বন্ধ থাকবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শেখ হাসিনার শোক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের শোক জামালপুরে ১১০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, আটক ১ রূপগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়ার মনোনয়নপত্র জমা
১৬৫ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু : আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান

১৬৫ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু : আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের ১৬৫ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচি আজ সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ানো এবং পুষ্টির ঘাটতি দূর করতেই এই উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহাপরিচালক জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসে নিয়মিতভাবে পুষ্টিকর খাবার পাবে। এসব খাবারের তালিকায় রয়েছে ফর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা ও মৌসুমি ফল, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম এবং ইউএইচটি দুধ। প্রতিদিন আলাদা তালিকা অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করার মধ্যে বৈচিত্র্য যেমন রয়েছে, তেমনি পুষ্টিমানের সামঞ্জস্যও নিশ্চিত করা হয়েছে।

রোববার শিক্ষার্থীরা ১২০ গ্রাম ওজনের বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম পাবে। সোমবার দেওয়া হবে বনরুটি ও ২০০ গ্রাম ইউএইচটি দুধ। মঙ্গলবার ফর্টিফায়েড বিস্কুটের সঙ্গে থাকবে কলা বা স্থানীয় মৌসুমি ফল। বুধবার ও বৃহস্পতিবার পরিবেশন করা হবে বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম। প্রস্তাবিত খাদ্য তালিকায় মোট এনার্জির ২৫.৯ শতাংশ, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ৩২.২ শতাংশ, প্রোটিনের ১৬.৪ শতাংশ এবং ফ্যাটের ২১.৭ শতাংশ সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খেলাধুলা, সংগীত, বিতর্ক, বক্তৃতার মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে পুষ্টিসম্পন্ন খাবারের সমন্বয় শিশুদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আশা প্রকাশ করে বলেন, এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে ছোট শিশুদের মেধা ও আচরণগত বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হবে।





স্বত্ব © ২০২৫ নিউজ ৩৬ এইসডি ।
Design & Developed BY POPCORN IT