ঢাকা, ৭ নভেম্বর ২০২৫:
সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (বিআরও ২০২৫)-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় লিকুইডেশনের তুলনায় বেশি ক্ষতি হলে সেই পার্থক্যের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করবে একটি স্বতন্ত্র পেশাদার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান, যাকে রেজল্যুশন শেষে নিয়োগ করা হবে। সরকার চাইলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করতে পারে।
বিআরও ২০২৫ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রণীত হয়েছে, যেখানে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ওইসিডির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এ অধ্যাদেশে আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডারসহ দাবিদারদের অধিকার স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘ইকুয়েটর’ নামের আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রেজল্যুশন প্রক্রিয়াধীন ব্যাংকগুলোর নিট সম্পদমূল্য ঋণাত্মক। এ অবস্থায় ২৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিসিএমসি) সিদ্ধান্ত নেয়, একীভূত ব্যাংকগুলোর ক্ষতি শেয়ারহোল্ডারদের বহন করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শেয়ারহোল্ডার, দায়ী ব্যক্তি, অতিরিক্ত টিয়ার ১ ও টিয়ার ২ মূলধনধারীসহ নির্দিষ্ট অংশীদারদের ওপর লোকসান আরোপের ক্ষমতা রাখে। তবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।