সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনী ভলান্টিয়ারদের মাঝে ‘স্বপ্নের রূপগঞ্জ’ টি-শার্ট বিতরণ রূপগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ ও গণমিছিলে মানুষের ঢল রূপগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত পূর্বাচল উত্তর ও দক্ষিণ নামে রূপগঞ্জ – গাজীপুর  দুটি নতুন থানা অনুমোদন পূর্বাচলে প্রশাসনিক নতুন দিগন্ত: রূপগঞ্জকে ঘিরে থানা অনুমোদনে বাড়ছে নাগরিক প্রত্যাশা হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের ছোঁয়া: গ্রামবাংলার খোলা মাঠে কলাপাতায় ভোজন খুন-গণপিটুনি আর মাদকবিরোধী অভিযানে উত্তাল নারায়ণগঞ্জ হুইলচেয়ার পেয়ে নতুন জীবন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে রূপগঞ্জ: খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা খুঁজছেন সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষ ২০২৫-এর শেষে দাঁড়িয়ে ২০২৬: আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই
‘জুলাই জাতীয় সনদ আমাদের ঐতিহাসিক অর্জন’ — প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস

‘জুলাই জাতীয় সনদ আমাদের ঐতিহাসিক অর্জন’ — প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস

নিউজ প্রতিবেদন:
সকল সক্রিয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ ও ঐকমত্যের মাধ্যমে “জুলাই জাতীয় সনদ” প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বাংলাদেশে একটি স্থায়ী ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের জন্য প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গতকাল (৩১ অক্টোবর) কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ আমাদের ঐতিহাসিক অর্জন। এটি কেবল নির্বাচনের পথকে সুগমই করবে না, বরং জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও গণতন্ত্র সুসংহত করার একটি দলিল হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ এখন পরিবর্তন দেখতে চায়— এমন পরিবর্তন যা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাবে, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’

প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— আমরা নিজেরাই এই সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। কেউ বাইরে থেকে আমাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়নি। অতীতে সংলাপে বিদেশিদের মধ্যস্থতা দেখা গেছে, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা নিজেরাই সংকটের সমাধান করেছি এবং বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।’

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘তারা অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। এ সনদ প্রণয়নে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাদের প্রতি জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ শুধু বাংলাদেশের নয়, সারাবিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঐক্যমূলক উদ্যোগ বিরল। অন্য দেশগুলোও সংকটকালে “ঐকমত্য কমিশন” গঠনের মডেল হিসেবে এটি বিবেচনা করবে।’

তিনি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক ও ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া, এবং বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি মাসের পর মাস এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে থাকা সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শক্তি জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাই জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা এখন রাষ্ট্র রক্ষার পূর্বশর্ত। এই ঐক্যই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি।’





স্বত্ব © ২০২৫ নিউজ ৩৬ এইসডি ।
Design & Developed BY POPCORN IT