বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হুইলচেয়ার পেয়ে নতুন জীবন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে রূপগঞ্জ: খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা খুঁজছেন সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষ ২০২৫-এর শেষে দাঁড়িয়ে ২০২৬: আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই নারায়ণগঞ্জে মনোনয়ন জমা শেষ: পাঁচ আসনে ৫৭ প্রার্থী রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন পেছাল, নতুন তারিখ ৩ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার দাফন উপলক্ষে রাজধানীতে কঠোর ট্রাফিক ব্যবস্থা, বন্ধ থাকবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শেখ হাসিনার শোক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের শোক জামালপুরে ১১০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, আটক ১ রূপগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়ার মনোনয়নপত্র জমা
এইচএসসি ২০২৫ : ২০ বছরে সর্বনিম্ন পাস, জিপিএ-৫ এ ধস

এইচএসসি ২০২৫ : ২০ বছরে সর্বনিম্ন পাস, জিপিএ-৫ এ ধস

 

নিজম্ব প্রতিবেদকঃ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে এবার। পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটোতেই একসঙ্গে ধস নেমেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার প্রায় অর্ধেক। আর জিপিএ-৫ কমেছে প্রায় পাঁচগুণ। যা ফলাফলে বড় ধাক্কা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফল বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে শিক্ষাবোর্ডগুলোর ‘পলিসি মেকিং’ ও শিক্ষার্থীদের দুর্বল ভিত্তি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা ও অভিভাবকদের উদাসীনতা। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মধ্যে সংকট একটি বড় কারণ।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরীও বলছেন একই কথা। তিনি বলেন, ‌এবারের ফলাফল হচ্ছে সিলেটের বাস্তব চিত্র। এবার শিক্ষকরা স্বাধীনভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পেরেছেন। কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার কারণে ফলাফল নেমেছে। তবে এর বাইরে শিক্ষার্থীদের অমনোযোগিতা ও অভিভাবকদের উদাসীনতাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এবছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৯ হাজার ১৭২ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৭১ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। যা বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক হাজার ৬০২ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ছয় হাজার ৬৯৮ জন শিক্ষার্থী।   ফলাফল বিপর্যয়ের পেছনে সঠিক শিক্ষানীতি প্রণয়নের অভাব, দুর্বল শিক্ষার্থী ও ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের ভিন্ন চিন্তাধারাসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শিক্ষকরা বলছেন, ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণিতে অটোপাসের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই বছরগুলোতে তাদের পাঠদান ছিল অনিয়মিত, অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ ছিল সীমিত, আর বাস্তব মূল্যায়নের সুযোগও ছিল না। এই শিক্ষার্থীরাই পরে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন, যেখানে বোর্ড কর্তৃপক্ষ নম্বর প্রদানে নমনীয়তা দেখায়। ফলে অনেকেই ভালো ফল করলেও তাদের শক্ত ভিত তৈরি হয়নি। তারা আরও বলছেন, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষাতেও প্রশ্ন ছিল তুলনামূলক সহজ ও উত্তরপত্র মূল্যায়নে ছিল নমনীয়তা। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো নমনীয়তা না দেখানোয় এই শিক্ষার্থীরাই খারাপ ফলাফল করেছেন।





স্বত্ব © ২০২৫ নিউজ ৩৬ এইসডি ।
Design & Developed BY POPCORN IT