শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শুধু অবকাঠামো নয়, মানসম্মত শিক্ষায় জোর- প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢেঁড়সের পানি—ডিটক্স ট্রেন্ডে নতুন সংযোজন, হজম থেকে ত্বক যত্নে বহুমুখী উপকার ডিটক্স ওয়াটার: ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ত্বকের উজ্জ্বলতায় জনপ্রিয় স্বাস্থ্যকর পানীয়  সন্ধ্যা ৬টার পর যে সমস্ত দোকান  খোলা থাকবে  রূপগঞ্জে ডাইং কারখানার বর্জ্যে মরছে মাছ, নষ্ট ফসল—দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন রূপগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি : ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের অপেক্ষার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে: গভীর শোক জানিয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার আহ্বান মির্জা ফখরুলের নারায়ণগঞ্জ লাঙ্গলবন্দে মহাতীর্থ অষ্টমী স্নান উৎসব শুরু, পুণ্যার্থীর ঢল দৌলতদিয়া স্বজনদের আহাজারিতে ভারী পদ্মাপাড় ।।নিখোঁজ ৩৫–৪০ যাত্রী
১৬৫ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু : আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান

১৬৫ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু : আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের ১৬৫ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচি আজ সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ানো এবং পুষ্টির ঘাটতি দূর করতেই এই উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহাপরিচালক জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসে নিয়মিতভাবে পুষ্টিকর খাবার পাবে। এসব খাবারের তালিকায় রয়েছে ফর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা ও মৌসুমি ফল, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম এবং ইউএইচটি দুধ। প্রতিদিন আলাদা তালিকা অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করার মধ্যে বৈচিত্র্য যেমন রয়েছে, তেমনি পুষ্টিমানের সামঞ্জস্যও নিশ্চিত করা হয়েছে।

রোববার শিক্ষার্থীরা ১২০ গ্রাম ওজনের বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম পাবে। সোমবার দেওয়া হবে বনরুটি ও ২০০ গ্রাম ইউএইচটি দুধ। মঙ্গলবার ফর্টিফায়েড বিস্কুটের সঙ্গে থাকবে কলা বা স্থানীয় মৌসুমি ফল। বুধবার ও বৃহস্পতিবার পরিবেশন করা হবে বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম। প্রস্তাবিত খাদ্য তালিকায় মোট এনার্জির ২৫.৯ শতাংশ, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ৩২.২ শতাংশ, প্রোটিনের ১৬.৪ শতাংশ এবং ফ্যাটের ২১.৭ শতাংশ সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খেলাধুলা, সংগীত, বিতর্ক, বক্তৃতার মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে পুষ্টিসম্পন্ন খাবারের সমন্বয় শিশুদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আশা প্রকাশ করে বলেন, এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে ছোট শিশুদের মেধা ও আচরণগত বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হবে।





স্বত্ব © ২০২৫ নিউজ ৩৬ এইসডি ।
Design & Developed BY POPCORN IT