শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পুরান ঢাকায় বিজয়া দশমী: আনন্দের মাঝে বিষাদের সুর মর্তুজাবাদ কামিল মাদরাসার ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে হীরক জয়ন্তী উদযাপনের প্রস্তুতি শিশুদের জটিল সার্জিক্যাল ও ইউরোলজিক্যাল সমস্যায় চিকিৎসা দিচ্ছেন ডা. জি. এম. মোর্শেদ রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপন হত্যা মামলার আসামি সারোয়ার গ্রেপ্তার ৩৫ বছর পত্রিকা বিক্রি করে মোস্তফার আক্ষেপ ‘আর পারা যাচ্ছে না’ সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বন্ধুত্বের টানে রাজধানীতে ‘ফ্রেন্ডস অব ঢাকা নিউমার্কেট ২০০০’-এর পুনর্মিলনী রূপগঞ্জে দাউদপুর ইউনিয়নের ওলামা মাশায়েখদের নিয়ে মতবিনিময় সভা মধ্যরাতে ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে পাতায়া, ডুবল গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ
বিটরুট জুস: উপকার অনেক, অতিরিক্তে বিপদ

বিটরুট জুস: উপকার অনেক, অতিরিক্তে বিপদ

স্বাস্থ্য ডেস্ক 

বিটরুট জুস এখন বেশ জনপ্রিয়। কেউ ব্যায়ামের আগে শক্তি বাড়াতে পান করেন, কেউ আবার সকালের নাশতার সঙ্গে। লালচে রঙের এই জুসে রয়েছে ভিটামিন সি, নাইট্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীর সতেজ রাখে। তবে সবকিছুর মতোই অতিরিক্ত সেবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

 হৃদ্‌যন্ত্রের সুরক্ষা

বিটরুট জুসে থাকা নাইট্রেট রক্তনালি প্রশস্ত করে, ফলে রক্ত চলাচল সহজ হয়। এটি হার্টের ওপর চাপ কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। নিয়মিত পান করলে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত হয়—একাধিক গবেষণায় এমন ফল পাওয়া গেছে।

 ব্যায়ামে সহায়ক

খেলোয়াড়রা প্রায়ই ব্যায়ামের আগে বিটরুট জুস পান করেন। কারণ, এটি পেশিতে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে ক্লান্তি কমায় ও শরীরের শক্তি ধরে রাখে। ফলে ব্যায়াম আরও কার্যকর হয়।

 মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে। এতে মনোযোগ ঠিক থাকে, স্মৃতিশক্তি উন্নত হয় এবং শেখার ক্ষমতা বাড়ে।

রোগ প্রতিরোধে সহায়ক

বিটরুট জুসে থাকা ভিটামিন সি ঠান্ডা, জ্বর ও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি প্রতিদিনের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

লিভারের জন্য ভালো

বিটরুট জুস শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে পারে—বিভিন্ন গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

 অতিরিক্ত সেবনে যেসব ক্ষতি হতে পারে

  • কিডনিতে পাথর: অক্সালেট ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে পাথর তৈরি করতে পারে।

  • রক্তচাপ হ্রাস: যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

  • হজমে সমস্যা: খালি পেটে বা অতিরিক্ত পান করলে গ্যাস ও ডায়রিয়া হতে পারে।

  • চুলের ক্ষতি: অতিরিক্ত সেবনে জিংক শোষণ কমে, ফলে চুল পড়তে পারে।

  • রক্তে চিনি বৃদ্ধি: জুসে আঁশ কম থাকায় রক্তের চিনি দ্রুত বাড়তে পারে।

  • ওষুধের প্রভাব: ভিটামিন কে রক্ত পাতলা করার ওষুধের কার্যকারিতা কমাতে পারে।

  • প্রতিদিন আধা থেকে ১ কাপ (১২০–২৪০ মিলি) যথেষ্ট।

  • আস্ত বিট খেলে আঁশ পাওয়া যায়, যা হজমে সহায়ক।

  • শরীরের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন; সমস্যা হলে বন্ধ করুন।

  • প্রোটিন বা চর্বির সঙ্গে পান করলে রক্তচিনি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

  • ওষুধ খেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বিটরুট জুস শক্তি বাড়ায়, হৃদ্‌যন্ত্র ও লিভার ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত সেবনে কিডনি, রক্তচাপ, হজম ও রক্তচিনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়ম মেনে পরিমিত পানই স্বাস্থ্যকর।





স্বত্ব © ২০২৫ নিউজ ৩৬ এইসডি ।
Design & Developed BY POPCORN IT